About Us


What We Are? 

নমস্কার আমি অনির্বান; পিঁপড়ের দল ম্যাগাজিন এর বর্তমান সম্পাদক, কোনো স্মৃতি হয়ত পরে আবার দেখতে আমার ভালো লাগে, তাই সেটা সঞ্চয় করে রাখা আমার ছোট বেলার অভ্যাস একটা সময় সত্যি বলতে এখনও ছবি তুলতে আমার খুব ভালো লাগে, কিন্তু সময়ের অভাবে, ব্যস্ততায় জড়িয়ে পরে ফটো তোলায় কেমন অনিয়মতা দেখলাম তারপর বাকি টা ইতিহাস বলতে পারেন, ইচ্ছে তো প্রচুর ছিলো কিন্তু কিছু বাউন্ডারি দেখা দিল চোখের সামনে, যাইহোক সে কথা না হয় অন্য দিন হবে তারপর আমাদের জীবনে' ঘটলো ভয়ানক এক ভাইরাস এর অনুপ্রবেশ “COVID 19”, এই ভাইরাস যেন কাউকে মুক্তি দিল না এর ভয়ে ঘরবন্দী থেকে, পেলাম অনেকখানি সময়, তাড়াহুড়োর জীবন থেকে পেলাম একটু মুক্তি এটা কে কি ফেলে রাখা চলে? তাই প্রথম কিছুদিন চললো চরম উপভোগ, তারপর বিশ্রাম কেমন অসহ্য হয়ে উঠলো, ছোট বেলার ছবি ফেসবুকে আপলোড থেকে "ডালগনা কফি" সব করার পর জাস্ট ক্লান্ত হয়ে গেলাম, শুরু হলো ওয়েবসিরিজ এর লেট নাইট মুভিজ, কিন্তু ছোট থেকেই আমার সুখ বেশিক্ষণ সহ্য হয়না নেট এর রিচার্জ শেষ হয়ে গেলো এই সময় সত্যি বলতে মনে হচ্ছিল মরুভূমিতে আছি কেউ কোথাও নেই, দোকান পাট তো সব বন্ধ, তার পর আরো জ্বালা ডেবিট কার্ড টাও কাজ করছে না রিচার্জ করার কথা এখানেই ইতি আবার কবে দোকান খুলবে তখন হবে, আর কি! এবার তো শুরু হলো ডাউলোডকৃত ফাইল ঘেঁটে দেখা, যদি ভালো কিছু পাওয়া যায়, ২৯ টি ডাউনলোড করা মুভি তে ওয়েব সিরিজ দেখার পর, একটা এমন মুভি দেখলাম যেটাপিঁপড়ের দলএর বীজ বলা যেতে পারে মুভিটির নামওয়েক আপ সিডআমি খেয়াল করে দেখেছিরণবীর কাপুর” 'সব ছেড়ে নিজেরটা করবো' এই মার্কা মুভি গুলো করে (আমার নিজস্ব ভাবনা যদিও), যেটা আমার ভালো লাগে স্টোরিলাইন কিছুটা এরকম একটা ছেলে যে উদ্দেশ্য হীন ভাবে বাঁচতে থাকে, এমন সময়ে কিছু খারাপ পরিস্থিতি চলে আসে তার সামনে সেটাকে কিভাবে সে ডিল করে এটা নিয়ে ছবি মুভিতে একটি ম্যাগাজিন কে কেন্দ্র করে বেশ কিছু ঘটনা আছে, এই ম্যাগাজিন বিষয় টা কেমন আমায় টেনেছিল তাই দেরি না করে দেখা করলামতাপসএর সাথে 

ইচ্ছে হলো শিল্পী'দের জন্য এমন একটা প্লাটফর্ম তৈরি করবো যাতে তারা নিজেদের মেলে ধরতে পারবে

এবং একটা সুযোগ তৈরি করবো তাদের জন্য যাদের চোখে আছে অনেকখানি স্বপ্ন আর মনে আছে তীব্র জেদ কিছু করে দেখানোর, জীবনে একটা জায়গায় পৌঁছনো'র। কিন্তু পারেনা, পারেনা কারণ আমাদের সমাজ এই অনামী শিল্পী'দের চেনে না, চিনতে চায়না। এই সমাজ ছোটে যশ এবং খ্যাতিশীল মানুষদের পিছনে। আমি এই স্বপ্ন দেখেছি তাদের জন্য, তাদের নিয়ে। চেয়েছি তাদের একটা মঞ্চ দিতে, যেখানে তারা নিজেদের প্রতিভা নির্দ্বিধায় প্রকাশ করবে

তাই এই লকডাউন' সময় পেয়ে তৈরী করি ফেললাম তাদের নিয়ে চলবো বলে একটা পত্রিকা, নাম দিলামপিঁপড়ের দল পত্রিকা'টি সবার সামনে তুলে ধরার জন্য আমার সাথে আমি পেয়েছিলাম 'টি এমন মানুষ'কে যাদের অপরিসীম পরিশ্রম'এর বিনিময়ে আজ এই পত্রিকা'টি এই জায়গায় এসে পৌঁছেছে। তবে এদের মধ্যে সর্ব প্রথম এর পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল ওই যে আগে বললামতাপসযাকে প্রথম বলেছিলাম এই ম্যাগাজিন এর কনসেপ্ট। তাপস বর্তমানে আমাদের ওয়েব ডেভেলপার, আমাকে সাহায্য করেছিল পত্রিকা'টি সবার সামনে তুলে ধরতে। কিন্তু আইডিয়া কে তো মাথা থেকে বাস্তবে রূপ দিতে হবে, তাই খোঁজ শুরু করলাম ইনস্টাগ্রামে, তখন আয়ন্তিকা কে বললাম দেখনা কেউ আছে নাকি তোর চেনা যে ছবি আঁকে, তোলে, বা লেখালেখি করে, দুএক দিনের মধ্যে সে বললো তুমি ঈশানি এর সাথে কথা বলে দেখো, কথা বলে আমার ইচ্ছে জানানোর পর তার থেকে যা হেল্প পেয়েছি আমি সেটা অসীম, এককথায় বলতে তাকে ছাড়া হয়তোপিঁপড়ের দলজাস্ট একটা প্রচেষ্টা রয়ে যেত সেটা আর ম্যাগাজিনে রূপান্তরিত হতো না। তারপর আস্তে আস্তে আমি বিভিন্ন শিল্পী'দের সাথে যোগাযোগ পর্ব শুরু করি, যোগাযোগ করে পেয়েছি অমূল্যণীয় কিছু শিল্পী। ধীরে ধীরে শুরু করেছি কাজ, দিন রাত পরিশ্রম করে সবার সামনে তুলে ধরেছি আমাদের প্রথম সংখ্যা, ১০ই মে'এর সকালে। ভেবেছিলাম খুব বেশি মানুষ হয়তো পড়বেনা, হয়তো ১০ বা ২০। কিন্তু আমাদের নতুন পত্রিকা' সেই প্রথম সংখ্যাটি পড়েছিল ২৫০জন (বর্তমানে ৭০০+) সেদিন যেন এক অদ্ভুত সুখ অনুভব করেছিলাম নিজের মধ্যে, পেয়েছিলাম এই ছোট্ট পত্রিকা'টিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অনেকখানি মনের জোর



 

কিন্তু আমাদের কাজ করার কিছুদিন'এর মধ্যেই এলোআমফান”, অন্ধকার কালো মেঘ হঠাৎ ঢেকে দিলো আমাদের এই এক কণা রোদ্দুর কে। প্রত্যেক'এর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু শুধু মাত্র আমাদের মন'এর জোরে আমরা আবার উঠে দাঁড়িয়েছি, প্রকাশ করেছি আরো অনেকগুলো সংখ্যা

বর্তমানে পিঁপড়ের দল এর যা পরিস্থিতি তাতে তিনজনের হাতে ঠেলা অসম্ভব হয়ে পড়েছিল এইপিঁপড়ের দলেরগাড়ি

তাই আরো কিছু হাত পেলাম এই বিপদের দিনে যারা বললেনমিলে মিশে করি কাজ হারি জিতই নাহি লাজ”, যারা অনবরত সাহায্য করছে এই গাড়িটি ঠেলার জন্য তারা হলেন

লেখা লেখিতে: তামান্না সরকার

স্টোরি আর্টস: ঋষা মন্ডল

ক্রাফটিং: স্বর্ণালী মন্ডল

খাবার রেসিপি: নিবেদিত মল্লিক

আর্ট ডিরেক্টর: ঈশানি হোতা

আসিস্ট: শ্রেয়সী চক্রবর্তী

ফটোগ্রাফি: স্মিতশ্রী পাল

আসিস্ট: বাসব বিজয় ঘড়াই

সোশ্যাল মিডিয়া: শুভদীপ মিস্ত্রি

ম্যাগাজিন ডিজাইন: দীপ্তশ্রী মন্ডল

ওয়েব ডেভলপার: তাপস দাস

এডিটর ইন চিফ: অনির্বান বিশ্বাস

অনেক শিল্পী'দের আপনাদের ভালোবাসায় আর আশীর্বাদ পেয়ে এসেছি অনেকখানি পথ। আশাকরি আপনাদের ভালোবাসায় হেটে যেতে পারবো আরও অনেক পথ, বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিতে পারবো আরো অনেক অনামী শিল্পী'দের কাছে